জাহিদ হোসেন খোকন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাহিদ হোসেন খোকন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৩

মাওলানা সাঈদীর মামলায় আপিল শুনানী চলছে//খোকনের বিরুদ্ধে ৩ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ

২১/১১/২০১৩
মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলায় আপিল আবেদন শুনানী চলছে। বর্তমানে এ মামলয় তদন্ত কর্মকর্তার জেরা পড়ে শোনানো হচ্ছে। মাওলানা সাঈদীর পক্ষে আইনজীবী এস এম শাহজাহান জেরা পড়ে শোনাচ্ছেন আদালতে।
প্রধান বিচারপতি মো : মোজাম্মেল হোসেন এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ শুনানী গ্রহণ করেন। আজ  শুনানী শেষে আগামী রোববার পর্যন্ত শুনানী মুলতবি করা হয়েছে।

খোকনের বিরুদ্ধে ৩ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ :
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জাহিদ হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ প্রথম দিন রাষ্ট্রপক্ষের তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এরা হলেন, আবুল কাশেম, একরামুল হক  এবং কানাইলাল মন্ডল। জবানবন্দী শেষে সাক্ষীদের জেরা করেন রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত আসামী পক্ষের আইনজীবী আব্দুস শুকুর খান।

জাহিদ হোসেন খোকন ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা পৌরসভার মেয়র ও  বিএনপির সহসভাপতি । তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৯৭১ সাল বিষয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। ফলে তার পক্ষে ট্রাইব্যুনাল একজন আইনজীবী নিয়োগ দেয়। আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার চলছে।


মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৩

খোকনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ বৃহষ্পতিবার

১৯/১১/২০১৩
ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা পৌরসভার মেয়র ও  বিএনপির সহসভাপতি জাহিদ হোসেন খোকনের  বিরুদ্ধে আগামী বৃহষ্পতিবার সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য ধার্য্য করা হয়েছে। আজ  তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য শুরু হয়েছে। এরপর সাক্ষ্য গ্রহনের তারিখ ধার্য্য করা হয় ।

১৯৭১ সালে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপরন, বন্দীকরন, নির্যাতন, ধর্মান্তরকন, দেশান্তরকরনসহ মানবতাবিরোধী ১১টি অভিযোগে  জাহিদ হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন ।

বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৩

জাহিদ হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন/// ৩ নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

মেহেদী হাসান, ৯/১০/২০১৩
জাহিদ হোসেন খোকনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১  আজ তার বিরুদ্ধে ১১টি অভিযোগে চার্জ গঠন করে । আগামী ৩ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য এবং সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য ধার্য্য করা হয়েছে।

জাহিদ হোসেন খোকন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তার অনুপস্থিতিতে চার্জ গঠন আদেশ দেয়া হয়েছে। ১৯৭১ সালে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপরন, বন্দীকরন, নির্যাতন, ধর্মান্তরকন, দেশান্তরকরনসহ মানবতাবিরোধী ১১টি অভিযোগে চার্জ গঠন করা হয়েছে।

জাহিদ হাসান খোকন ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা পৌরসভার মেয়র। তিনি নগরকান্দা পৌরসভা বিএনপির সহসভাপতি। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার কার্যক্রম শুরুর পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

জাহিদ হাসান খোকন এর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অভিযোগ আমলে নিয়ে গত ১৮ জুলাই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপর  ১৪ আগস্টের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির হবার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল ৩০ জুলাই  রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেয়।  এদিনের মধ্যে সে স্বেচ্ছায় ট্রাইব্যুনালে হাজির না হলে তার পক্ষে একজন রাষ্ট্রীয় আইনজীবী নিয়োগ করা হবে এবং তার অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে  চার্জ গঠন শুনানী  শুরু হবে মর্মে আদেশে বলা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ গত ২৩ জুন জাহিদ হোসেন  খোকনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সাল বিষয়ে ১০টি মানবতাবিরোধী অভিযোগে ফরমাল চার্জ দাখিল করে ট্রাইব্যুনালে। এর আগে ৩০ মে তদন্ত সংস্থা তার বিরুদ্ধে ১৩টি অভিযোগে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষের কাছে।



মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০১৩

জাহিদ হোসেন খোকনকে হাজির করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের


৩০/৭/২০১৩
জাহিদ হোসেন খোকনকে  আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির হবার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচারের জন্য রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এদিনের মধ্যে সে স্বেচ্ছায় ট্রাইব্যুনালে হাজির না হলে তার পক্ষে একজন রাষ্ট্রীয় আইনজীবী নিয়োগ করা হবে এবং তার অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে  চার্জ গঠন শুনানী  শুরু হবে।
আজ সকালে এ নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

জাহিদ হাসান খোকন এর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অভিযোগ আমলে নিয়ে গত ১৮ জুলাই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

জাহিদ হাসান খোকন ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা পৌরসভার মেয়র। তিনি নগরকান্দা পৌরসভা বিএনপির সহসভাপতি। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার কার্যক্রম শুরুর পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে হত্যা, গনহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটাপাট, ধর্মান্তরকরন এবং হিন্দুদের দেশ থেকে জোর করে নির্বাসনের অভিযোগ আনা হয়েছে। গতকাল  তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন শুনানী ধার্য্য করা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষ গত ২৩ জুন জাহিদ হোসেন  খোকনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সাল বিষয়ে ১০টি মানবতাবিরোধী অভিযোগে ফরমাল চার্জ দাখিল করে ট্রাইব্যুনালে। এর আগে ৩০ মে তদন্ত সংস্থা তার বিরুদ্ধে ১৩টি অভিযোগে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষের কাছে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৩

জাহিদ হোসেন খোকন’র বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ট্রাইব্যুনালের

জাহিদ হাসান খোকন এর বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে । আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ এ পরোয়ানা জারি করে।

জাহিদ হাসান খোকন ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা পৌরসভার মেয়র। তিনি নগরকান্দা পৌরসভা বিএনপির সহসভাপতি। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার কার্যক্রম শুরুর পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে হত্যা, গনহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটাপাট, ধর্মান্তরকরন এবং হিন্দুদের দেশ থেকে জোর করে নির্বাসনের অভিযোগ আনা হয়েছে। আগামী ৩০ জুলাই তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন শুনানী ধার্য্য করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোখলেছুর রহমান বাদল সাংবাদিকদের বলেন,  জাহিদ হোসেন খোকন  ফরিদপুরের একজন চিহ্নিত রাজাকার। তিনি নিজেকে রাজাকার হিসেবে পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। রাজাকার পরিচয় দিয়ে গর্ব করেন। তিনি দম্ভ করে বলে বেড়ান ১৯৭১ সালে তিনি রাজাকার ছিলেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাজাকার থাকতে চান। তার বড় ভাইও রাজাকার ছিল।

এ ধরনের চিহ্নিত একজন রাজাকারের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল কি-না এবং  দালাল আইনে কোন মামলা হয়েছিল কি-না সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি কোন তথ্য দিতে পারেননি এ মর্মে।

ইকনোমিস্ট বিষয়ে আদেশ ২৭ আগস্ট :
বহুল আলোচিত স্কাইপ কেলেঙ্কারির জের ধরে লন্ডনের সাময়িকী দি ইকনোমিস্ট এর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা সংক্রান্ত অভিযোগ বিষয়ে আগামী ২৭ আগস্ট আদেশ প্রদান করা হবে।

আজ  অভিযোগ বিষয়ে শুনানী শেষে এ তারিখ ধার্য্য করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১।
ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম এর স্কাইপ সংলাপের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ইকনোমিস্ট এর পক্ষ থেকে দুজন সাংবাদিক তাকে ফোন করেছিলেন। ফোন করে তারা তাকে জানান বেলজিয়ামের ড. আহমেদ জিয়াউদ্দিনের সাথে তিনি   ট্রাইব্যুনালের বিচার নিয়ে স্কাইপের মাধ্যমে যেসব কথা বলেছেন এবং যেসব মেইল আদান প্রদান করেছেন তার সব ডকুমেন্ট তাদের  কাছে রয়েছে।
গত বছল ৬ ডিসেম্বর এ বিষয়টি ট্রাইব্যুনালে ওপেন কোর্টে প্রথমে ফাঁস করেন বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম এবং ওইদিনই তিনি ইকনোমিস্ট এর বিরুদ্ধে রুল জারি করেন। রুলে স্কাইপ সংলাপ এবং ইমেইল প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। একই সাথে তাদের কাছে জানতে চাওয়া  হয়  সুপ্রীম কোর্টের একজন বিচারপতির সাথে টেলিফোনে কথা বলা কেন আদালত অবমনানা বলে গন্য হবেনা।
শুনানীতে আজ  ইকনোমিস্ট এর পক্ষে ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান খান বলেন, বিচারপতির সাথে কথা বলা কোন আদালত অবমানার মধ্যে পড়েনা। এ বিষয়ে বিচারপতি ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজির কেস বিষয়ে আদালতের একটি পর্যবেক্ষন আছে। একজন বিদেশী সাংবাদিক ফোন করেছেন। তিনি  হয়ত সৌজন্যতার খাতিরেও কথা বলতে পারেন। তিনি যদি সাথে সাথে তখনই তাকে ডিনাই করে দিতেন তাহলে সেটা একরকম হত। কিন্তু সাংবাদিক ফোন করার পর বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম তার সাথে কথা বলেছেন। আমার মক্কেলের প্রশ্ন বিচারপতিকে ফোন করা যদি এতই অপরাধ হবে তাহলে তিনি  তার সাথে কথা বললেন কেন।

ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান এ বিষয়ে একটি পর্যবেক্ষন দিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার প্রস্তাব করেন  ট্রাইব্যুনালের কাছে।
18/7/2013.